মঠবাড়িয়ায় জাকিরের তান্ডবে দিশেহারা বলেশ্বরের জেলেরা

জাকির হাওলাদারের দখল অভিযান ও বলেশ্বরর নদে জেলেদের মাছ ধরার ঘাট দখল ও তার তান্ডবলীলায় এলাকার জেলেরা দিশেহারা। ঘটনাটি ঘটেছে পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া তুষখালী ইউনিয়নে তুলাতলা এলাকায়। একই এলাকার ভুক্তভোগী জেলে শাহ জাহান হাওলাদার দীর্ঘদিন যাবত বলেশ্বর নদে তুলাতলার ৬নং ঘাটে বাঁধা জালপেতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন। বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে, ঘাটের প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র শাহ জাহানের রয়েছে। এ সকল উপেক্ষা করে স্থানীয় মাছের আড়ৎদার জাকির হাওলাদার ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে জোর করে শাহ জাহানকে ঘাট থেকে উচ্ছেদ করে সাইলুকে ওই স্থানে জালের খেও বসাতে প্রকাশ্যে সহযোগীতা করার লিখিত অভিযোগ উঠেছে। যে ঘটনায় শাহ জাহান বাদী হয়ে সাইলু ও জাকিরের বিরুদ্ধে থানা অফিসার ইনচার্জ এর বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। জাকির হাওলাদারের কাছে ঘাট সংক্রান্ত সাইলুর পক্ষে কোন কাগজপত্র বা প্রমানাদি পাওয়া যায়নি। এ ছাড়াও জাকির ২৮ জন প্রান্তিক পেশাদার জেলের খেও ঘাট অন্যদের পাইয়ে দিতে একটি কুচক্রি মহলের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা গ্রহণ করে তাদের নামে নতুন কাগজ সৃজন করে দীর্ঘদিন ভোগ দখলীয় জেলেদের বর্তমানে উচ্ছেদ করার পাঁয়তারা করছেন। যে ঘটনায় এলাকায় বড় ধরণের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটতে পারে। প্রকৃত জেলেরা এ মুহুর্তে প্রশাসনকে সরেজমিনে এসে জাকির হাওলাদারের ষড়যন্ত্রের কবল থেকে তাদের উদ্ধার করে পূনরায় যাতে জাল পেতে স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারেন বলে তারা জোর দাবী জানিয়েছেন। জাকির হাওলাদার বলেন, শাহ জাহান ও সাইলুর জালের ঘাট সংক্রান্ত কোন বিষয় আমি জড়িত নই। আমাকে অহেতুক দোষারোপ করা হচ্ছে। শাহ জাহান হাওলাদার বলেন, জাকির হাওলাদার আমাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসানোসহ আমার মায়ের গায়ে পর্যন্ত হাত দিয়েছে। তার তান্ডবে আমরা এলাকাবাসী অতিষ্ঠ। এ বিষয়ে থানা অফিসার ইনচার্জ আবু জাফর মোঃ মাসুদুজ্জামান বলেন, জাকির ও সাইলুর বিরুদ্ধে জেলে শাহ জাহান হাওলাদার তার জাল ঘাট দখলের একটি অভিযোগ দিয়েছেন। এ ছাড়াও জাকিরের বিরুদ্ধে এলাকার একাধিক লোকের বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

0Shares

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

You may have missed