মঠবাড়িয়ায় হোটেল-রেস্টুরেন্টে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি

 

স্টাফ রিপোর্টার : পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় অধিকাংশ খাবার হোটেলে খোলা এবং নোংরা পরিবেশে খাবার তৈরি ও পরিবেশন করা হচ্ছে সকল প্রকার খাবার। এছাড়া খোলা জায়গায় ধুলাবালিতে রাখা হচ্ছে পরোটা, কাবাব, চিকেনচাপসহ বিভিন্ন প্রকার খাদ্য সমগ্রী।আগে গ্রাম্য কিছু সরল সোজা মানুষের মুখে একটি উক্তি গুনতাম, সামনে ফিটফাট বিতরে সদরঘাট ঠিক তেমনি পরিস্থিতি মঠবাড়িয়া পৌরসভাসহ উপজেলার গুরুত্বপূর্ণস্থানে বেশিরভাগ খাবার হোটেল বা রেস্টুরেন্টগুলোর বাইরের দৃশ্য চকচকে থাকলেও খাবার তৈরির জায়গা দেখলে সচেতন মানুষ আঁতকে উঠবেন। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি ও পরিবেশন করা হচ্ছে চাকচিক্য পরিবেশে। এদিকে ছোট হোটেলগুলোর চেয়ে অনিয়ম চলছে বেশি চাইনিজ রেস্টুরেন্টগুলোতে। চাইনিজ রেস্টুরেন্টগুলো শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত হলেও ভেতরে রান্না ঘরের অবস্থা খুবই অস্বাস্থ্যকর। এছাড়া খাবারে মেশানো হয় মানবদেহের জন্য ক্ষতিকারক নানা রাসায়নিক। খাবারের মান ও পরিবেশ নিশ্চিত করণে ছোট ছোট হোটেলগুলোতে অভিযান পরিচালনা করা হলেও বড় হোটেলগুলো এর আওতায় আসছে না বলে অভিযোগ সচেতন মহলের। জানা যায়, উপজেলার অধিকাংশ হোটেল রেস্তোরাঁয় খাবারের মান নিয়ে প্রশ্ন অনেকেরই। পৌরসভার শহরের হোটেলে নোংরা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, বাবুর্চি ও রান্নার কাজে সহযোগীদের গা থেকে ঘাম ঝরে পড়ছে খাবারে, কাটাকুটি চলছে স্যাঁতসেঁতে মেঝেতে।  পৌরসভার নামিদামি অসংখ্য খাবার হোটেল গড়ে উঠেছে। এসব হোটেলের মধ্যে গুটি কয়েক ছাড়া বাকিগুলোর রানাঘরের অবস্থা দুর্গন্ধযুক্ত, নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর। রান্না করার অংশে সাধারণত গ্রাহকদের প্রবেশের কোনো সুযোগ নেই। হোটেলের সামনের সাজসজ্জা করা অংশে খাবার খেয়ে বিল পরিশোধ করে বেরিয়ে পড়েন গ্রাহকরা। কিন্তু কোনো গ্রাহক যদি এসব হোটেলের রান্নাঘরের পরিবেশ দেখতেন তাহলে কেউই খাবার মুখে তুলতেন না। অথচ মঠবাড়িয়া পৌরসভার এ ধরনের হোটেল মালিকরা ভোক্তাদের একদিকে তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে।

মঠবাড়িয়া থানার পার্শ্ববর্তী একটি খাবার হোটেলের মধ্যে কবুতরের ঘর তবে বেশিরভাগ খাবার হোটেল মালিক পরিবেশনের জায়গা পরিচ্ছন্ন রাখলেও রান্নাঘরের অবস্থার দিকে নজর দেন না। রান্নাঘরের পরিবেশ নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর। আবার হোটেলের সামনের জায়গায় চুলো বসিয়ে সকাল সন্ধ্যায় পরোটা-বিকালে পুড়ি, কাবাব, চিকেনচাপ সহ বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী তৈরি করে।  এ বিষয়ে মঠবাড়িয়া পৌরসভার সেনিটারি রামবাবু বলেন, অপরিচ্ছন্নতার অভিযোগে কয়েকটি হোটেলে জরিমানা’সহ,কঠোর সতর্ক জারি করলেও তারা গোপনে ভেজাল ও অস্বাস্থ্যকর খাবার কার্যক্রম করে থাকে । এব্যাপারে মঠবাড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উর্মী ভৌমিক এর মুঠোফোনেে একাধিকবার কলদিলে তাকে পাওয়া যায়নি।

0Shares

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।