পেটে টিউমার নিয়ে হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে লড়ছে বাবা কলেজ পড়ুয়া মেয়ের মানবিক আবেদন

স্টাফ রিপোর্টারঃ পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার দরিদ্র সবজি বিক্রেতা হারুন মোক্তার দীর্ঘ ৫ মাস ধরে পেটে টিউমার নিয়ে গুরুতর অসুস্থ। উন্নত চিকিৎসার অভাবে পেটের টিউমারটি এখন মরণ ব্যাধি কান্সারে রুপ নিয়েছে। ঢাকায় একটি হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে লড়ছে দরিদ্র হারুন মোক্তার। তার অপারেশন খুব জরুরী। কিন্তু দরিদ্র পরিবারটির পক্ষে আর চিকিৎসা ব্যায় মেটানো এখন অসম্ভব। এমন অবস্থায় তার কলেজ পড়ুয়া মেয়ে মেহেরুন আক্তার বাবাকে বাঁচাতে সহৃদয় মানুষের কাছে সহায়তার মানবিক আবেদন জানিয়েছেন।

অসুস্থ সবজি বিক্রেতা হারন মোক্তারের মঠবাড়িয়ার সদর ইউনিয়নের দক্ষিন মিঠাখালী ০৪নং ওয়ার্ডের মরহুম মোহাম্মাদ মোক্তারের বড় ছেলে।

তার কলেজ পড়ুয়া মেয়ে জানান, তার বাবা সবজি বিক্রয় করে অতিকস্টে সংসারের ভরণ পোষণ চালিয়ে আসছিলেন। গত পাঁচমাস আগে তার বাবার পেটে টিউমারেআক্রান্ত হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। অর্থের অভাবে বাবার সুচিকিৎসা করতে পারছেন না। তার বসত বাড়ি ছাড়া কোন জমিজমাও নেই। কলেজ ছাত্রী মেহেরুন এর মা দুই সন্তান ছোট রেখে মারা গেছেন। মেহেরুন পরিবারের বড় সন্তান। তাই তার বাবা সন্তানদের অনাগত ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে বসত বাড়িটি বিক্রি করতে পারছে না। ধার দেনা করে মঠবাড়িয়াতে অনেক ডাক্তার দেখিয়েও প্রথমে বাবার রোগ শনাক্ত করতে পারেননি। পরে উন্নত চিকিৎসা পাওয়ার আশায় ঢাকায় নিযে যান বাবাকে। ঢাকার একটি হাসপাতালের চিকিৎসক তার রোগ শনাক্ত করতে সক্ষম হন। চিকিৎসক জানিয়েছেন পেটে টিউমার হয়ে তা এখন ক্যান্সারে রূপ নিয়েছে। রোগিকে দ্রুত অপারেশন না করলে ক্যানসার জীবানু দ্রুত শরীরের সব স্থানে ছড়িয়ে পড়বে। এতে তার জীবন সংকটাপন্ন।
যত দ্রুত সম্ভব অপারেশন করতে হবে। অপারেশন করাতে প্রায় আড়াই লাখ টাকার প্রয়োজন। ইতিমধ্যেই চিকিৎসার জন্য পরিবারটি এখন নিঃস্ব।
মরণব্যধিতে আক্রান্ত হারুন বলেন আমি বাঁচতে চাই। আমাকে আপনারা বঁচান। বাবাকে বাঁচাতে তার বড় মেয়ে মঠবাড়িয়া সরকারি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থী মেহেরুন দিশেহারা, মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন।

কলেজ পড়ুয়া মেয়ে মেহেরুন তার বাবাকে বাঁচানোর আকুতি জানিয়ে বলেন, আমার বাবাকে আপনারা বাঁচান। একজন দারিদ্র বাবাকে বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সামাজিক স্বেচ্ছসেবী সংগঠন, মানবিক গুনসম্পন্ন সচেতন ব্যক্তিদের সাহায্য কামনা করেছেন মেহেরুন।

0Shares

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।