মঠবাড়িয়ায় পরকীয়ার টানে প্রবাসীর স্ত্রী উধাও উল্টো শ্রীঘরে প্রবাসীর ভগ্নিপতি

স্টাফ রিপোর্টার : পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় পরকীয়া প্রেমের টানে প্রবাসী স্বামীর টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে উধাও স্ত্রী ফের স্বামী ও আত্মীয় স্বজনদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানি করে আসছে। ওই ঘটনায় পরকীয়ার টানে উধাও হওয়া স্ত্রী কিছু‌দিন পরে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে হয়রানিমূলক মামলা দিলে মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ প্রবাসীর ভগ্নিপতিকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করলে বিজ্ঞ আদালত তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করে। এর আগে একই ঘটনায় পরকীয়ার টানে উধাও হওয়া প্রবাসীর স্ত্রী ও কথিত প্রেমিকের বিরুদ্ধে প্রবাসীর মা কোহিনুর বেগম বাদী হয়ে গত ১৬ সেপ্টেম্বর মঠবাড়িয়া চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলা সূত্রে জানাগেছে, উপজেলার জানখালী গ্রামের বারেক শরিফের মেয়ে মহিমা বেগমের সাথে মানিকখালী গ্রামের আলম ফরাজির ছেলে খলিল ফরাজির সাথে প্রায় ৭ বছর আগে বিয়ে হয়। বিয়ের পর খলিল ফরাজি সৌদি আরব চলে যান। স্ত্রী মহিমা কখনো বাবার বাড়ি কখনো শ্বশুর বাড়ি বসবাস করতো। খলিল বিদেশে বসে উপার্যনের টাকা স্ত্রীর কাছে পাঠাতো। এদিকে মহিমা মুঠোফোনের মাধ্যমে ভাইজোরা গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে খুলনা শহরের ব্যবসায়ী রহমানের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে।
আস্তে আস্তে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গভীর আকার ধারণ করে। এর মধ্যে প্রবাসী স্ত্রীর কার্যকলাপ শাশুড়ির চোখে পরলে মহিমা কাউকে তোয়াক্কা না করে পরকীয়া লিপ্ত হয় । একদিন মোঃ রহমান (২৫) বাড়িতে আসলে শাশুরি জানতে চাইলে মহিমা বলে আমার খালাতো ভাই।
বিষয়টি কোহিনুর বেগম প্রবাসী খলিলুর রহমানকে জানালে মহিমা শাশুড়ীকে অকথ্য ভাষা গালিগালাজ করে বলেন, তোর চোখের সামনে তোর ছেলেকে তালাক দিয়ে আমি ওকে বিয়ে করবো বলেও জানায়।
তবে কিছুদিন পরে রহিমা স্বাভাবিক ভাবে চলাফেরা করে আসছিল,এ‌দি‌কে শাশুড়ী রহিমাকে বাড়ি রেখে মিরুখালী বোনের বাড়ি বেড়াতে গেলে এই সুযোগে রহমানকে মোবাইলে বসত ঘরে এ‌নে পরিকল্পিত ভাবে স্টীল আলমারি ভেঙে স্বর্নের দুইটি ২ ভরি, হাতের রুলি ২ভড়ি,আংটি ৪টি, ৪আনা নিয়ে উধাও হয়ে যায় যার মূল্য ৩লাখ টাকা ।
এদিকে কো‌হিনুর বেগ‌মের মামলা তদন্ত চলাকালীন অবস্থায় উল্টো প্রবাসী খলিলুর রহমানকে প্রধান আসামি করে একটি মামলা করেন প্রবাসী খলিলুর রহমানের স্ত্রী মহিমা বেগম। এ মামলায় গতকাল সোমবার খলিলুর রহমানের ভগ্নিপতি মোঃ রুবেলকে মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ গ্রেফতার করেন ।
প্রবাসীর মা কোহিনূর বেগম জানান, প্রবাসী খলিলুর রহমানের উপার্যনের সমস্ত টাকা নিয়ে স্ত্রী পালিয়ে গেছে। খলিলুর রহমান এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছে।

0Shares

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।