মঠবাড়িয়ায় শালিশ বৈঠকে বিবাহ বিচ্ছেদ হলেও বৃদ্ধ কে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি,

স্টফ রিপোর্টার: পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া শালিশ বৈঠকের মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ হলেও চান মিয়া (৫৫) নামের এক বৃদ্ধ কে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনা টি ঘটেছে উপজেলার কচুবাড়ীয়া গ্রামে।
ঘটনা সুত্রে জানাযায় সাপলেজা ইউনিয়নের কচুবাড়ীয় গ্রামের মৃত এনছান উদ্দিন এর পুত্র মোঃচান মিয়া (৫৫)এর প্রথম স্ত্রীর মারা যাওয়ার পরে উপজেলার তুষখালী ইউনিয়নের জানখালী গ্রামের মৃত একুব আকন্দের মেয়ে ফিরোজা বেগম(৩৬)এর সাথে বিগত ২৩/০৩/২০১৮ইং তারিখে ইসলামিক শরীয়ত মোতাবেক রেজিস্ট্রিকৃত কাবিন নামা মূলে বিবাহ হয়, বিবাহের কিছু দিন যেতে না যেতে সংসারের খুটিনাটি বিষয় নিয়ে ঝগড়া ঝাটি সৃষ্টি হয় ও চান মিয়ার আগের সংসারের ছেলে মেয়েরা বাড়িতে আসলে স্ত্রী ফিরোজা বেগম অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে তারিয়ে দেয়। এমন কি চান মিয়া বুড়ো বলে তাকে অনেক গালমন্দ ও অপবাদ দেয়,উল্লেখ্য ফিরোজা বেগম তার পূর্বের স্বামীর ঘরের একটি কন্যা সন্তান নিয়ে বর্তমান স্বামী চান মিয়ার ঘরে বসবাস করে আসছে।এক পর্যায়ে তাদের পারিবারিক জীবনে প্রায়ই অশান্তি তৈরী হওয়ার কারনে স্হানীয় ইউপি সদস্য ও এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিদের নিয়ে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে ফিরোজা বেগমের কাবিনের ধার্য্যকৃত ৫০০০০/টাকা পরিশোধ করে,গত ১৯/১২/২০ইং,তারিখে খোলা তালাকের মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ করা হয় ও তার সকল,মাল ছামানা বুঝিয়ে দেয়া হয়।তালাকের মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ হওয়ার পড়ে ও গত ২৩/১২/২০ইং,তারিখে ফিরোজা বেগম বাদী হয়ে বৃদ্ধ চান মিয়া কে আসামি করে মঠবাড়িয়া বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি যৌতুক মামলা দায়ের করে হয়রানি করে আসছে। এ ব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার একাধিক ব্যক্তি বলেন চান,মিয়া,একজন নিরহ মানুষ, ফিরোজা বেগম সব সময় তার উপর অত্যাচার করত,সে একজন উশৃংখল মহিলা, স্হানীয় ভাবে খোলা তালাকের পরেও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে আসছে।

0Shares

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।